কপোতাক্ষ নদ: যশোরের ইতিহাস, প্রবাহ ও বর্তমান অবস্থা
কপোতাক্ষ — যাকে বাংলাপিডিয়ায় কোবাদক নামেও লেখা হয় — যশোরের অন্যতম পরিচিত নদী। এটি কেশবপুরের সাগরদাঁড়ির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে, আর সেই সাগরদাঁড়িতেই জন্মেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
তথ্য যাচাই: 29 October 2026। এই গাইডে শুধু যাচাইকৃত তথ্য দেওয়া হয়েছে; 2026 সালের কোনো নতুন পরিমাপ যাচাই করা যায়নি বলে তা দাবি করা হয়নি।
মানচিত্র: কপোতাক্ষ নদ, কেশবপুর, যশোর এলাকা (গুগল ম্যাপস)। এটি একটি সাধারণ এলাকার মানচিত্র, কোনো নির্দিষ্ট ঘাটের নিখুঁত অবস্থান দাবি করা হয়নি।
সংক্ষেপে
কপোতাক্ষ কী? কপোতাক্ষ (কোবাদক/কপোতাক্ষ) দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের একটি নদী। এর নামের অর্থ ‘কপোতের চোখ’ — ‘কপোত’ মানে কবুতর, ‘অক্ষ’ মানে চোখ। একসময় এর পানি পাখির চোখের মতো স্বচ্ছ ছিল বলে এই নাম হয়েছে বলে বাংলাপিডিয়ায় লেখা আছে।
যশোরে কোথায়? যশোর জেলায় নদীটি চৌগাছা ও ঝিকরগাছা হয়ে কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ির পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়।
আজকের অবস্থা কী? সূত্রগুলো বলছে, নদীটি পলি জমা ও দখলের কারণে সংকুচিত হচ্ছে; গ্রীষ্মে ঝিকরগাছার কাছে এটি প্রায় শুকিয়ে যায় বলে বাংলাপিডিয়ায় লেখা আছে। গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পে গঙ্গা থেকে পাম্প করে প্রবাহ ধরে রাখার কথা ওই সূত্রে উল্লেখ আছে।

দৈর্ঘ্য
২৫০–২৬০ কিমি
সূত্রভেদে দৈর্ঘ্য আলাদা: বাংলাপিডিয়া বলেছে প্রায় ২৬০ কিমি, উইকিপিডিয়া বলেছে ২৫০ কিমি। তাই এখানে পরিসর দেওয়া হয়েছে, একটি সংখ্যা চুপচাপ বেছে নেওয়া হয়নি।
উৎস ও সংযোগ
মূলত মাথাভাঙ্গা নদ থেকে উৎপন্ন; এখন মূলত ভৈরব নদের শাখা। কোটচাঁদপুরের দক্ষিণে ভৈরব থেকে বেরিয়ে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়।
যশোরের স্থান
চৌগাছা, ঝিকরগাছা ও কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি। এরপর নদীটি সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার দিকে এগিয়ে শিবসার কাছে মেশে (বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, পাইকগাছার কাছে)।
সাংস্কৃতিক পরিচয়
মাইকেল মধুসূদন দত্ত সাগরদাঁড়িতে এই নদের তীরে জন্মেছিলেন এবং ‘কপোতাক্ষ নদ’ সনেটটি লিখেছিলেন।
নদীর পরিচয় ও প্রবাহ
বাংলাপিডিয়ার ‘কোবাদক নদ’ নিবন্ধ অনুযায়ী, ইছামতী কুষ্টিয়া জেলার দর্শনায় দুটি ধারায় ভাগ হয়েছিল; দক্ষিণ-পূর্বমুখী ধারাটি ভৈরব। কোটচাঁদপুরের দক্ষিণে ভৈরব থেকে একটি শাখা বেরিয়ে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে খুলনা জেলার পাইকগাছার কাছে শিবসার সঙ্গে মেশে — এই শাখাটিই কোবাদক বা কপোতাক্ষ। মূলত নদীটি মাথাভাঙ্গা থেকে উৎপন্ন হয়েছিল; একটি খাল কেটে নদীর গতিপথ সংক্ষিপ্ত করার পর এটি মাথাভাঙ্গা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পরে ভৈরব থেকেই এর মূল প্রবাহ বজায় থাকে।
উইকিপিডিয়ার ‘কপোতাক্ষ নদ’ নিবন্ধেও একইভাবে বলা হয়েছে যে, মাথাভাঙ্গা থেকে উৎপন্ন হলেও নদীটি এখন তার উৎস থেকে বিচ্ছিন্ন এবং এখন মূলত ভৈরব নদের একটি শাখা। নদীটি যশোর, সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলা দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং এর নিম্নাংশ জোয়ার-ভাটার প্রভাবে থাকে। মোহনার নাম নিয়ে সূত্রে কিছুটা ভিন্নতা আছে: বাংলাপিডিয়া পাইকগাছার কাছে শিবসার কথা বলেছে, আর উইকিপিডিয়ার মূল লেখায় খুলনায় খোলপেটুয়ার কথা এসেছে। তাই এই গাইডে মোহনা হিসেবে বাংলাপিডিয়ার বর্ণনাটিকেই প্রধানভাবে ধরা হয়েছে এবং ভিন্ন নামের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
| বিষয় | যাচাইকৃত তথ্য |
|---|---|
| দৈর্ঘ্য | ২৫০–২৬০ কিমি (সূত্রভেদে: বাংলাপিডিয়া প্রায় ২৬০ কিমি; উইকিপিডিয়া ২৫০ কিমি) |
| অববাহিকা | শাখা-প্রশাখাসহ প্রায় ৩,৩১৫ বর্গ কিমি এলাকা নিষ্কাশন করে — কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা (বাংলাপিডিয়া) |
| যশোরের প্রবাহ | চৌগাছা, ঝিকরগাছা ও কেশবপুরের সাগরদাঁড়ি |
| জোয়ারের সীমা | জোয়ার-ভাটার প্রভাব আছে, তবে ঝিকরগাছার উপরে নয় (বাংলাপিডিয়া) |
| গ্রীষ্মের অবস্থা | গ্রীষ্মে ঝিকরগাছার কাছে নদীটি প্রায় শুকিয়ে যায় (বাংলাপিডিয়া) |
| সেচ | গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পে (জি-কে প্রকল্প) গঙ্গা থেকে পাম্প করে প্রবাহ ধরে রাখা হয়; যশোরের কিছু জায়গায়ও পাম্পের মাধ্যমে সেচের পানি ব্যবহার হয় (বাংলাপিডিয়া) |
মধুসূদন ও কপোতাক্ষ
কপোতাক্ষের সবচেয়ে পরিচিত সাংস্কৃতিক যোগসূত্র মাইকেল মধুসূদন দত্তের সঙ্গে। বাংলাপিডিয়ায় স্পষ্টভাবে লেখা আছে যে, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান যশোর জেলায় কোবাদকের তীরে। উইকিপিডিয়া অনুযায়ী, মধুসূদন ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সাগরদাঁড়িতে জন্মেছিলেন — সাগরদাঁড়ি কেশবপুর উপজেলার একটি গ্রাম। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত সনেট ‘কপোতাক্ষ নদ’ (Kapatakkha Nad), যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম দিকের সনেটগুলোর একটি এবং বাংলাদেশের এসএসসি পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত বলে উইকিপিডিয়ায় উল্লেখ আছে। তাঁর সমাধিলিপির পঙ্ক্তিতেও আছে: ‘যশোরের সাগরদাঁড়ি কপোতাক্ষ-তীরে’।
এই যোগসূত্রের কারণেই সাগরদাঁড়ি আজও কপোতাক্ষের সঙ্গে একসঙ্গে উচ্চারিত হয়। সাগরদাঁড়ি ও কেশবপুর সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য দেখুন কেশবপুর উপজেলা গাইড।
যশোর অংশে নদী (কেশবপুর ও অন্যান্য এলাকা)
যশোর জেলার ভেতরে কপোতাক্ষের পরিচিত অংশগুলো হলো চৌগাছা, ঝিকরগাছা এবং কেশবপুরের সাগরদাঁড়ি। বাংলাপিডিয়ার তালিকায় নদীর পথে চৌগাছা, ঝিকরগাছা, চাকলা, ত্রিমোহনী, জীবননগর, কোটচাঁদপুর, সাগরদাঁড়ি, তালা, বারুলি, চাঁদখালী, বরদল, আমাদী ও বেড়কাশির নাম আছে — তবে এই তালিকার সব স্থান যশোর জেলায় নয়; যশোরের অংশ হিসেবে এই গাইডে শুধু চৌগাছা, ঝিকরগাছা ও সাগরদাঁড়ির কথাই নিশ্চিতভাবে বলা হয়েছে।
ঝিকরগাছা এই নদীর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমা: বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী জোয়ার-ভাটার প্রভাব ঝিকরগাছার উপরে ওঠে না, আর গ্রীষ্মে ঝিকরগাছার কাছে নদীটি প্রায় শুকিয়ে যায়। যশোর জেলার সামগ্রিক মানচিত্র বুঝতে দেখুন যশোর জেলার মানচিত্র এবং যশোর সদর উপজেলা গাইড। আর কপোতাক্ষ যেহেতু ভৈরবের শাখা, তাই পাশাপাশি পড়তে পারেন ভৈরব নদী গাইড।
বর্তমান অবস্থা: পলি, শুকিয়ে যাওয়া, পুনরুজ্জীবন
নদীটির বর্তমান অবস্থা নিয়ে যা লেখা আছে, তা মূলত পলি জমা, সংকোচন ও শুকিয়ে যাওয়ার গল্প। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, বর্ষায় নদীটি শুধু স্থানীয় বৃষ্টির পানি ও চুঁইয়ে আসা পানি পায় এবং বেশিরভাগ জায়গায় নাব্যতা হারায়। তালা উপজেলার কাছে উঁচু বাঁধ থেকে অনুমান করা হয়, নদীটি একসময় প্রায় ৭৫০ মিটার চওড়া ছিল, এখন প্রায় ১৭০ মিটার; চাঁদখালীতে প্রায় ৩০০ মিটার। এই চওড়ার সংখ্যাগুলো ওই সূত্রের বর্ণনা, 2026 সালের নতুন মাপ নয়।
পুনরুজ্জীবনের দিক থেকে বাংলাপিডিয়ায় গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের কথা আছে: নদীটি প্রায় মরে যেতে বসেছিল, কিন্তু বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড গঙ্গা থেকে পাম্প করে প্রবাহ বজায় রাখে। এ ছাড়া নদীর তীরে লবণাক্ততা প্রতিরোধী বাঁধ নির্মাণের কথাও ওই সূত্রে আছে; খুলনার কিছু অংশে লবণাক্ততার কারণে সেচ উপযোগী নয়, তবে লবণাক্ত পানি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত হয়।
সংবাদমাধ্যমের পুরোনো প্রতিবেদনেও একই উদ্বেগ উঠে এসেছে, যা তারিখসহ উল্লেখ করা হচ্ছে: দ্য ডেইলি স্টারে 2012 সালের ১ ডিসেম্বর ‘The Dying Waterway’ এবং ঢাকা ট্রিবিউনে 2015 সালের ১৭ জুন ‘Kopotakkho River in danger’ প্রকাশিত হয়। উইকিপিডিয়ার বর্তমান অবস্থা অংশে বলা হয়েছে, দখলের কারণে নদীটি সংকুচিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন সংগঠন নদীটি বাঁচাতে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। 2026 সালে পলির গভীরতা, প্রবাহের হার বা খননের দৈর্ঘ্য সম্পর্কে কোনো যাচাইকৃত নতুন পরিমাপ এই গাইডে পাওয়া যায়নি, তাই সেসব সংখ্যা এখানে দেওয়া হয়নি।
নদী দেখতে গেলে
নদী দেখতে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সময়সূচি, টিকিটের দাম বা নৌকার ভাড়া যাচাই করা যায়নি, তাই এখানে সেসব দেওয়া হয়নি। সাধারণভাবে এই ধাপগুলো মেনে চলা যেতে পারে:
- সাগরদাঁড়ি ও কেশবপুর এলাকাকে ঘোরার কেন্দ্র হিসেবে ধরুন — মধুসূদনের জন্মস্থান হিসেবে এই এলাকাটিই কপোতাক্ষের সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। বিস্তারিত পথের জন্য কেশবপুর উপজেলা গাইড দেখুন।
- যাওয়ার আগে স্থানীয় যাতায়াত, রাস্তার অবস্থা ও আবহাওয়া যাচাই করুন; পুরোনো তথ্যের ওপর ভরসা করে সময় বা খরচ ধরে নেবেন না।
- নদীর তীরে ব্যক্তিগত বা সংরক্ষিত জায়গায় প্রবেশ করবেন না; স্থানীয় নির্দেশনা মেনে চলুন।
- বর্ষায় পানি ও কাদা এবং গ্রীষ্মে শুকনো অংশ — দুই ঋতুতেই নদীর চেহারা আলাদা হতে পারে, সেটা মাথায় রাখুন।
- তীর পরিচ্ছন্ন রাখুন; প্লাস্টিক বা আবর্জনা নদীতে ফেলবেন না।
প্রশ্নোত্তর
কপোতাক্ষ নদ কোথায়?
কপোতাক্ষ দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের একটি নদী। এটি মূলত মাথাভাঙ্গা থেকে উৎপন্ন হলেও এখন মূলত ভৈরব নদের শাখা হিসেবে প্রবাহিত হয় এবং যশোর, সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলা দিয়ে এগিয়ে যায়।
কপোতাক্ষ নদের দৈর্ঘ্য কত?
সূত্রভেদে দৈর্ঘ্য ২৫০–২৬০ কিমি। বাংলাপিডিয়া বলেছে প্রায় ২৬০ কিমি, আর উইকিপিডিয়া বলেছে ২৫০ কিমি, তাই এখানে একটি সংখ্যা চুপচাপ বেছে না নিয়ে পরিসর দেওয়া হয়েছে।
যশোরে কপোতাক্ষ কোথায় দেখা যায়?
যশোর জেলায় নদীটি চৌগাছা ও ঝিকরগাছা হয়ে কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ির পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়। সাগরদাঁড়িই মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত।
মধুসূদন দত্তের সঙ্গে কপোতাক্ষের সম্পর্ক কী?
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িতে কপোতাক্ষের তীরে জন্মেছিলেন এবং তিনি ‘কপোতাক্ষ নদ’ সনেটটি লিখেছিলেন।
কপোতাক্ষ নদ এখন কেমন অবস্থায় আছে?
সূত্রগুলো বলছে, পলি জমা ও দখলের কারণে নদীটি সংকুচিত হচ্ছে এবং গ্রীষ্মে ঝিকরগাছার কাছে প্রায় শুকিয়ে যায়। 2012 ও 2015 সালের প্রতিবেদনে নদীটির সংকটের কথা উঠে এসেছিল। 2026 সালের কোনো নতুন পরিমাপ যাচাই করা যায়নি।
কপোতাক্ষ কি ভৈরবের শাখা?
হ্যাঁ, বর্তমান বর্ণনা অনুযায়ী কপোতাক্ষ এখন মূলত ভৈরব নদের শাখা। কোটচাঁদপুরের দক্ষিণে ভৈরব থেকে বেরিয়ে এটি দক্ষিণে প্রবাহিত হয়। মূল উৎস ছিল মাথাভাঙ্গা, তবে পরে তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
সূত্র ও ছবির কৃতিত্ব
- বাংলাপিডিয়া, ‘কোবাদক নদ’ (Kobadak River) — en.banglapedia.org/index.php/Kobadak_River
- উইকিপিডিয়া, ‘কপোতাক্ষ নদ’ (Kopotakkho River) — en.wikipedia.org/wiki/Kopotakkho_River
- উইকিপিডিয়া, ‘মাইকেল মধুসূদন দত্ত’ — en.wikipedia.org/wiki/Michael_Madhusudan_Dutt
- দ্য ডেইলি স্টার, ‘The Dying Waterway’, 1 ডিসেম্বর 2012 (উইকিপিডিয়ায় উদ্ধৃত) এবং ঢাকা ট্রিবিউন, ‘Kopotakkho River in danger’, 17 জুন 2015 (উইকিপিডিয়ায় উদ্ধৃত)
- ছবি: যশোর শহরের কেন্দ্রীয় এলাকার দৃশ্য (central_jessore_1600.jpg) — এটি কপোতাক্ষ নদের ছবি নয়। ছবি: Rds26, CC BY-SA 3.0 (Wikimedia Commons), সাইটের মিডিয়া লাইব্রেরি থেকে পুনর্ব্যবহৃত।
- আরও পড়ুন: ভৈরব নদী গাইড, কেশবপুর উপজেলা গাইড, যশোর সদর উপজেলা গাইড, যশোর জেলার মানচিত্র



