যশোর শহরের কেন্দ্রীয় এলাকার সাধারণ দৃশ্য

যশোরে এনআইডি সংশোধন ও নতুন ভোটার নিবন্ধন: অনলাইন আবেদন, ফি ও কাগজপত্র

যশোর সরকারি সেবা গাইড

এনআইডি সংশোধন ও নতুন ভোটার নিবন্ধন

যশোর থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধন এবং নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের অনলাইন আবেদন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও যাচাই করা ফি সম্পর্কে জানুন।

তথ্য যাচাই: 28 October 2026। ফি ও প্রক্রিয়া পরিবর্তন হতে পারে; চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অফিসিয়াল এনআইডি পোর্টালই চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ। এই গাইডে শুধু অফিসিয়াল সূত্রে যাচাই করা তথ্য দেওয়া হয়েছে।

সংক্ষেপে: যাঁদের এনআইডি আছে, তাঁরা অনলাইনে সংশোধনের আবেদন করতে পারেন। যাঁরা এখনও ভোটার হননি, তাঁরা নতুন ভোটার নিবন্ধনের আবেদন করতে পারেন। অফিসিয়াল পোর্টালে দেখানো তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ফি প্রথমবার ২০০ টাকা এবং অন্যান্য তথ্য সংশোধনের ফি প্রথমবার ১০০ টাকা। আবেদনের আগে পোর্টালের ফি হিসাবকারী দিয়ে সঠিক ফি যাচাই করে নিন। এনআইডি সংশোধন করতে চাইলে প্রথমে জেনে নিন কোন তথ্য সংশোধন করা যায় এবং এনআইডি সংশোধন আবেদনের জন্য কোন কাগজপত্র লাগবে।
যশোর শহরের কেন্দ্রীয় এলাকার দৃশ্য — এনআইডি সংশোধন গাইড
যশোর শহরের কেন্দ্রীয় এলাকার দৃশ্য। ছবি: Rds26, CC BY-SA 3.0 (Wikimedia Commons)।
কারা আবেদন করবেন

সংশোধন: বর্তমান ভোটাররা। নতুন নিবন্ধন: ১৮ বছরের বেশি বয়সী, প্রবাসী বা আগে বাদ পড়া ভোটাররা।

কোথায় আবেদন

অনলাইনে এনআইডি পোর্টালে, আর কাগজপত্র জমা দিতে হবে নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে।

প্রথমবার সংশোধন ফি

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন: ২০০ টাকা। অন্যান্য তথ্য সংশোধন: ১০০ টাকা।

হেল্পলাইন

অফিসিয়াল পোর্টালে দেওয়া হেল্পলাইন: ১০৫। যোগাযোগের সময়: রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা।

এনআইডি সংশোধন: কী কী সংশোধন করা যায়

অফিসিয়াল পোর্টালের সংশোধন-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, অনলাইনে বা নির্বাচন অফিসে সংশোধনের আবেদন করা যায়। সাধারণভাবে যেসব তথ্য সংশোধন করা যায়, সেগুলো হলো: নামের বানান, জন্মতারিখ, পিতা বা মাতার নাম, ঠিকানা, রক্তের গ্রুপ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বৈবাহিক অবস্থা সংক্রান্ত তথ্য, TIN, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা পাসপোর্ট নম্বর এবং ছবি বা স্বাক্ষর। ঠিকানা পরিবর্তন শুধু বাসস্থান পরিবর্তনের কারণে করা যায়, এবং আবেদন করতে হয় বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন, সেই এলাকায়। অস্পষ্ট ছবির ক্ষেত্রে সশরীরে আবেদন করতে হয়। এনআইডি সংশোধন আবেদন করার আগে আপনার তথ্যের সঙ্গে প্রমাণপত্র মিলিয়ে নিন, কারণ এনআইডি সংশোধন আবেদনে ভুল তথ্য থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

নতুন ভোটার নিবন্ধন: কারা পারবেন

অফিসিয়াল পোর্টালের নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন ভোটার নিবন্ধনের অনলাইন প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে পারবেন ১৮ বছরের বেশি বয়সী নতুন ভোটার, প্রবাসী ভোটার এবং আগে নিবন্ধন থেকে বাদ পড়া ভোটাররা। ইতিমধ্যে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত কোনো ব্যক্তি আবার আবেদন করবেন না; পোর্টালে বলা হয়েছে, নিবন্ধিত ব্যক্তির পুনরায় আবেদন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

অনলাইন আবেদনের ধাপ

এনআইডি সংশোধনের আবেদন

এনআইডি সংশোধন আবেদনের ধাপগুলো নিচে দেওয়া হলো।

  1. অফিসিয়াল পোর্টাল services.nidw.gov.bd/nid-pub এ যান। আপনার এনআইডি থাকলে পোর্টালে অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন করুন বা লগইন করুন।
  2. নিজের প্রোফাইল তথ্য দেখে কার্ড তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন বা হালনাগাদের আবেদন নির্বাচন করুন। ঠিকানা বা ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য আলাদা আবেদন নির্বাচন করতে হয়।
  3. যে তথ্য সংশোধন করতে চান, তা সঠিকভাবে দিন এবং পোর্টালে উল্লেখ করা প্রমাণপত্রের তথ্য সংযুক্ত করুন।
  4. পোর্টালের ফি হিসাবকারী দিয়ে আপনার আবেদনের ধরন অনুযায়ী ফি যাচাই করুন এবং পোর্টালের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ধাপ সম্পন্ন করুন।
  5. আবেদন জমা দেওয়ার পর পোর্টালে আপনার আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখতে পারবেন। ছবি বা স্বাক্ষর পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পোর্টালের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা প্রযোজ্য হতে পারে।

নতুন ভোটার নিবন্ধনের আবেদন

  1. পোর্টালে নতুন নিবন্ধনের আবেদন নির্বাচন করুন এবং ধাপে ধাপে ফরম পূরণ করুন। ফরমে তিনটি ধাপ থাকে: ব্যক্তিগত তথ্য, অন্যান্য তথ্য এবং বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা। নিজের পূর্ণ নাম ছাড়া বাকি সব তথ্য বাংলা ইউনিকোডে পূরণ করতে হয়।
  2. কমপক্ষে একটি ধাপ সম্পন্ন করার পর আংশিক পূরণ করা ফরম সংরক্ষণ করা যায়। সব ধাপ শেষে প্রিভিউ দেখে তথ্য আবার যাচাই করুন।
  3. ফরমের PDF তৈরি করে প্রিন্ট করুন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে জমা দিন।
  4. জমা দেওয়া তথ্য ও ঠিকানা যাচাইয়ের পর তথ্য সঠিক প্রমাণিত হলে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে আপনার মোবাইল নম্বর বা ইমেইলে বার্তা পাঠানো হয়, এরপর অনলাইন অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন সম্পন্ন করে কার্ড সংগ্রহ করা যায়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

সংশোধনের ধরনপ্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র
নাম (বাংলা বা ইংরেজি) ও জন্মতারিখশিক্ষাগত যোগ্যতা SSC বা সমমান হলে SSC বা সমমান সনদ; অন্যথায় চাকরির প্রমাণ (সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা আধা-স্বায়ত্তশাসিত চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে), পাসপোর্ট, জন্ম নিবন্ধন সনদ, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স বা অন্য গ্রহণযোগ্য প্রমাণ। নামের ব্যাপক পরিবর্তনে গ্রহণযোগ্য সহায়ক কাগজপত্র লাগে।
পিতা বা মাতার নামথাকলে SSC বা HSC বা সমমান সনদ। পিতা বা মাতার নামের আগে মৃত যোগ বা বাদ দিতে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মৃত্যু সনদ।
ঠিকানা (বাড়ি, হোল্ডিং, গ্রাম, সড়ক, ডাকঘর)দলিল, টেলিফোন বিল বা সঠিক ঠিকানার অন্য প্রমাণ।
রক্তের গ্রুপচিকিৎসকের সনদ বা ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট।
বৈবাহিক অবস্থাবিবাহের ক্ষেত্রে নিকাহনামা ও স্বামী বা স্ত্রীর পরিচয়পত্রের কপি; বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তালাকনামা।
শিক্ষাগত যোগ্যতাসর্বোচ্চ যোগ্যতার সনদের সত্যায়িত কপি।
TIN, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা পাসপোর্ট নম্বরপ্রযোজ্য ক্ষেত্রে TIN সনদ, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা পাসপোর্ট।
ছবি বা স্বাক্ষরঅস্পষ্ট ছবির ক্ষেত্রে সশরীরে আবেদন। স্বাক্ষর পরিবর্তনে নতুন স্বাক্ষরের নমুনা ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ।

অফিসিয়াল তালিকা অনুযায়ী, কাগজপত্রের কপি সত্যায়ন করতে পারেন সংসদ সদস্য, নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, গেজেটেড সরকারি কর্মকর্তা অথবা মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান। অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ আবেদন বাতিল বলে গণ্য হয়।

ফি

আবেদনের ধরনপ্রথমবারদ্বিতীয়বারপরবর্তী প্রতিবার
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন২০০ টাকা৩০০ টাকা৪০০ টাকা
অন্যান্য তথ্য সংশোধন১০০ টাকা২০০ টাকা৩০০ টাকা

দ্রষ্টব্য: এই ফি অফিসিয়াল পোর্টালের ফি পাতায় দেখানো তথ্য থেকে নেওয়া হয়েছে। আপনার আবেদনের ধরন অনুযায়ী সঠিক ফি পোর্টালের ফি হিসাবকারী (services.nidw.gov.bd/nid-pub/fees) দিয়ে যাচাই করুন, কারণ ফি পরিবর্তন হতে পারে। এনআইডি সংশোধন ফি দেওয়ার আগে আবেদনের ধরন ঠিকভাবে নির্বাচন করুন। নতুন ভোটার নিবন্ধনের জন্য আলাদা কোনো ফি এই গাইডে উল্লেখ করা হয়নি, কারণ অফিসিয়াল পাতায় তা যাচাই করা যায়নি।

আবেদন জমা দেওয়ার পর কী হবে

সংশোধনের আবেদনের ক্ষেত্রে জমা দেওয়া তথ্য যাচাই করা হয় এবং প্রয়োজন হলে ছবি বা স্বাক্ষর সংক্রান্ত অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়। নতুন ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে জমা দেওয়া তথ্য ও ঠিকানা যাচাইয়ের পর তথ্য সঠিক প্রমাণিত হলে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে মোবাইল নম্বর বা ইমেইলে বার্তা পাঠানো হয়, এরপর অনলাইন অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন সম্পন্ন করে কার্ড সংগ্রহ করা যায়। এনআইডি সংশোধন আবেদন যাচাই শেষ হলে পোর্টালে তার অবস্থা দেখা যাবে। যশোরে আবেদন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণভাবে আপনার উপজেলা, থানা বা জেলা নির্বাচন অফিস প্রযোজ্য হবে; এই গাইডে কোনো অফিসের ঠিকানা বা ফোন নম্বর দেওয়া হয়নি, কারণ তা অফিসিয়াল সূত্রে যাচাই করা যায়নি।

আবেদন ট্র্যাক করা

পোর্টালে নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করে আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখা যায়। অফিসিয়াল পোর্টালের সেবা তালিকায় আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখার সুবিধা রয়েছে। এ ছাড়া নতুন নিবন্ধন সম্পন্ন হলে মোবাইল নম্বর বা ইমেইলে বার্তা পাঠানো হয়। আবেদন নম্বর ও মোবাইল নম্বর সংরক্ষণ করে রাখুন, যাতে পরে অবস্থা যাচাই করতে সুবিধা হয়। এনআইডি সংশোধন আবেদনের অবস্থা জানতে নিয়মিত পোর্টাল দেখুন।

সাধারণ প্রশ্ন

এনআইডিতে কী কী তথ্য সংশোধন করা যায়?

নামের বানান, জন্মতারিখ, পিতা বা মাতার নাম, ঠিকানা, রক্তের গ্রুপ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বৈবাহিক অবস্থা সংক্রান্ত তথ্য এবং ছবি বা স্বাক্ষর সংশোধনের আবেদন করা যায়। প্রতিটি ক্ষেত্রে পোর্টালে উল্লেখ করা প্রমাণপত্র দিতে হয়।

নতুন ভোটার হিসেবে কারা নিবন্ধন করতে পারবেন?

১৮ বছরের বেশি বয়সী নতুন ভোটার, প্রবাসী ভোটার এবং আগে নিবন্ধন থেকে বাদ পড়া ভোটাররা অনলাইনে নতুন ভোটার নিবন্ধনের আবেদন করতে পারবেন। ইতিমধ্যে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত কেউ আবার আবেদন করবেন না।

এনআইডি সংশোধনের ফি কত?

অফিসিয়াল পোর্টালে দেখানো তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ফি প্রথমবার ২০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩০০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতিবার ৪০০ টাকা। অন্যান্য তথ্য সংশোধনের ফি প্রথমবার ১০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ২০০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতিবার ৩০০ টাকা। আবেদন জমা দেওয়ার আগে পোর্টালের ফি হিসাবকারী দিয়ে সঠিক ফি যাচাই করে নিন।

অনলাইনে আবেদন করার পর কী করতে হয়?

অনলাইনে ফরম পূরণের পর তা যাচাই করে প্রিন্ট করতে হয় এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হয়। তথ্য ও ঠিকানা যাচাইয়ের পর নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং নিবন্ধন সম্পন্ন হলে মোবাইল নম্বর বা ইমেইলে বার্তা পাঠানো হয়।

যশোরে আবেদন কোথায় জমা দেব?

যশোরে আবেদন আপনার উপজেলা, থানা বা জেলা নির্বাচন অফিসে জমা দেওয়া যায়। অনলাইনে আবেদন শুরু করার পর পোর্টালের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত অফিসে কাগজপত্র জমা দিন।

আবেদনের অবস্থা কীভাবে জানব?

পোর্টালে নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করে আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখা যায়। এ ছাড়া নিবন্ধন সম্পন্ন হলে মোবাইল নম্বর বা ইমেইলে বার্তা পাঠানো হয়।

যশোরের আরও গাইড

যশোর সদর সম্পর্কে জানতে পড়ুন যশোর সদর উপজেলা গাইড, কেশবপুর সম্পর্কে জানতে কেশবপুর উপজেলা গাইড এবং জন্ম নিবন্ধন সম্পর্কে জানতে যশোরে জন্ম নিবন্ধন আবেদন গাইড দেখুন।

সূত্র

  • বাংলাদেশ এনআইডি অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম, অফিসিয়াল পোর্টাল: services.nidw.gov.bd/nid-pub
  • সংশোধন-সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্ন, অফিসিয়াল পোর্টাল: services.nidw.gov.bd/nid-pub/faq
  • ফি হিসাবকারী, অফিসিয়াল পোর্টাল: services.nidw.gov.bd/nid-pub/fees
  • ছবি: যশোর শহরের কেন্দ্রীয় এলাকার দৃশ্য, ছবি: Rds26, CC BY-SA 3.0, Wikimedia Commons।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Scroll to Top